চট্টগ্রামে আসতে উদগ্রীব হয়ে থাকেন দীপু মনি
নিউজ ডেস্ক: দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর বন্দরনগর চট্টগ্রামে আসার জন্য উদগ্রীব হয়ে থাকেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। সোমবার সকালে প্রফেসর অ্যাডভোকেট কামরুন নাহার বেগমের আন্তর্জাতিক ভ্রমণবিষয়ক ‘আমার দেখা অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ এবং এশিয়া ও ইউরোপের ১৩টি দেশ’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।
চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তিনি।
বাংলাদেশের প্রথম নারী শিক্ষা মন্ত্রী দীপু মনি বলেন, চট্টগ্রামে যতবারই আসি, ততবারই আমার মনে হয় যে এরপর আবার কবে যে আসবো। আবারও নিশ্চয় আসবো। আপনারা ভালো থাকবেন। দোয়া করবেন। আর্শীবাদ করবেন।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি বলেন, আপনাদের সন্তান ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও আমার উপর বঙ্গবন্ধুকন্যা অনেক বিশ্বাস আর আস্থা নিয়ে দায়িত্ব দিয়েছেন। আমরা একত্রে যেন সে গুরুদায়িত্ব যথাযথভাবে, সততা, আন্তরিকতা, নিষ্ঠা দিয়ে পালন করতে পারি, বঙ্গবন্ধুকন্যার হাতকে শক্তিশালী করতে পারি, দেশের অগ্রযাত্রায় যেন শামিল হতে পারি, সেজন্য দোয়া চাই।
প্রসঙ্গত দীপু মনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ভাষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র লীগের প্রথম কাউন্সিল-নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এম.এ ওয়াদুদের কন্যা। তিনি হলিক্রস কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস এবং বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় হতে এলএলবি পড়েন। এমবিবিএস ডিগ্রি লাভের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব পাবলিক হেলথ থেকে এমপিএইচ ডিগ্রি অর্জন করেন।
এছাড়া তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমঝোতা ও দ্বন্দ্ব নিরসন এর ওপর একটি কোর্স সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের একজন আইনজীবী।
দীপু মনি চাঁদপুর-৩ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়- প্রতিবেশী দেশসমূহের সাথে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীণ সময়ে তিনি কমনওয়েলথ মিনিস্ট্রেরিয়াল অ্যাকশন গ্রুপ-এর প্রথম নারী এবং দক্ষিণ এশীয় চেয়ারপার্সন নির্বাচিত হন। এছাড়া তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সমুদ্র জয় করে।
এতে করে বাংলাদেশ সরকার প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার এবং ভারতের সাথে প্রায় চার দশকের সমুদ্র সীমা সংক্রান্ত অমীমাংসিত বিষয়টি আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় চূড়ান্ত ভাবে নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করে।